রাজশাহীর তানোরে এক নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গায় আরসিসি পিলার দিয়ে অবৈধভাবে পাকা বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) ইলামদহী গ্রামে এই বাড়ি নির্মাণের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় ইলামদহী গ্রামবাসীর পক্ষে রাকিব উদ্দিন বাদি হয়ে গত ৬ জানুয়ারি বাড়ি নির্মাণকারী রাজু ও তার পুত্র সুমনকে বিবাদী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) লিখিত অভিযোগ করেছেন।
কিন্ত্ত অভিযোগ দেয়া হলেও রহস্যজনক কারণে মুন্ডুমালা তহসিল অফিস কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।এমনকি নির্মাণ কাজ তো বন্ধ হয়নি উল্টো বাড়ি তৈরীতে সহযোগিতা করা হচ্ছে বলেও নায়েব শাহাদাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে গ্রামবাসি। এনিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।এদিকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট (ইউপি) থেকে অনুমোদন ও প্ল্যান পাশ করাতে হয়,এ বাড়ি নির্মাণ করতে এসব কোনো অনুমতি নেয়া হয়নি। নায়েব শাহাদতের যোগসাজশে নীতিমালা লঙ্ঘন করে এই বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এঅবৈধ বাড়ি নির্মাণ বন্ধ করা না হলে যে কোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে গ্রামবাসি শঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) ইলামদহী গ্রামের রাজু এক নম্বর খাস খতিয়ান ভুক্ত জায়গার উপর বাড়ি নির্মাণ শুরু করার সময় অভিযোগ দেয় রাকিব। কিন্তু ভূমি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পাওয়ার পর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ বা বাড়ি নির্মাণ বন্ধ না করে উল্টো নির্মাণ কারী রাজুর সঙ্গে শাহাদত আঁতাত করায় নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে বলে মনে করছে গ্রামবাসী। গত রোববার সরেজমিন দেখা গেছে, সরকারি খাস জায়গায় বাড়ি নির্মাণ চলমান রয়েছে।
রাজু জানান, এটা আমার পৈত্রিক জায়গা। ৬ শতাংশের মধ্যে চার শতাংশে বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। কোন খাস জায়গা নেই। রাকিব রাজমিস্ত্রীর কাজ করে। তাকে বাড়ি নির্মাণের কাজ দেয়া হয়নি একারনে অভিযোগ দিয়েছে। সরকারি সার্ভেয়ার এনে মাপজোক করে সরকারি জায়গা হলে বাড়ি নির্মাণ বন্ধ করে দিবো। তবে মাফজোক না করেই কেনো বাড়ি নির্মাণ চলমান রয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে রাজু বলেন,তহসিলদার শাহাদত স্যার বাড়ি করতে বলেছেন।
অভিযোগকারী রাকিব জানান, এক নম্বর খাস জায়গায় বাড়ি করছে। খাস জায়গা না হলে এবং মিথ্যা অভিযোগ করা হলে আমার বিরুদ্ধে যেনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
জানতে চাইলে (তহসিলদার) শাহাদাত হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের কাগজপত্র নিয়ে অফিসে ডাকা হয়েছে এবং বাড়ি নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে।
এবিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব শংকর বসাক জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নায়েবকে বলা হয়েছে। খাস জায়গায় পাকা বাড়ি নির্মাণের কোন সুযোগ নেই। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ ঘটনায় ইলামদহী গ্রামবাসীর পক্ষে রাকিব উদ্দিন বাদি হয়ে গত ৬ জানুয়ারি বাড়ি নির্মাণকারী রাজু ও তার পুত্র সুমনকে বিবাদী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) লিখিত অভিযোগ করেছেন।
কিন্ত্ত অভিযোগ দেয়া হলেও রহস্যজনক কারণে মুন্ডুমালা তহসিল অফিস কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।এমনকি নির্মাণ কাজ তো বন্ধ হয়নি উল্টো বাড়ি তৈরীতে সহযোগিতা করা হচ্ছে বলেও নায়েব শাহাদাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে গ্রামবাসি। এনিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।এদিকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট (ইউপি) থেকে অনুমোদন ও প্ল্যান পাশ করাতে হয়,এ বাড়ি নির্মাণ করতে এসব কোনো অনুমতি নেয়া হয়নি। নায়েব শাহাদতের যোগসাজশে নীতিমালা লঙ্ঘন করে এই বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এঅবৈধ বাড়ি নির্মাণ বন্ধ করা না হলে যে কোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে গ্রামবাসি শঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) ইলামদহী গ্রামের রাজু এক নম্বর খাস খতিয়ান ভুক্ত জায়গার উপর বাড়ি নির্মাণ শুরু করার সময় অভিযোগ দেয় রাকিব। কিন্তু ভূমি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পাওয়ার পর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ বা বাড়ি নির্মাণ বন্ধ না করে উল্টো নির্মাণ কারী রাজুর সঙ্গে শাহাদত আঁতাত করায় নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে বলে মনে করছে গ্রামবাসী। গত রোববার সরেজমিন দেখা গেছে, সরকারি খাস জায়গায় বাড়ি নির্মাণ চলমান রয়েছে।
রাজু জানান, এটা আমার পৈত্রিক জায়গা। ৬ শতাংশের মধ্যে চার শতাংশে বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। কোন খাস জায়গা নেই। রাকিব রাজমিস্ত্রীর কাজ করে। তাকে বাড়ি নির্মাণের কাজ দেয়া হয়নি একারনে অভিযোগ দিয়েছে। সরকারি সার্ভেয়ার এনে মাপজোক করে সরকারি জায়গা হলে বাড়ি নির্মাণ বন্ধ করে দিবো। তবে মাফজোক না করেই কেনো বাড়ি নির্মাণ চলমান রয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে রাজু বলেন,তহসিলদার শাহাদত স্যার বাড়ি করতে বলেছেন।
অভিযোগকারী রাকিব জানান, এক নম্বর খাস জায়গায় বাড়ি করছে। খাস জায়গা না হলে এবং মিথ্যা অভিযোগ করা হলে আমার বিরুদ্ধে যেনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
জানতে চাইলে (তহসিলদার) শাহাদাত হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের কাগজপত্র নিয়ে অফিসে ডাকা হয়েছে এবং বাড়ি নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে।
এবিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব শংকর বসাক জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নায়েবকে বলা হয়েছে। খাস জায়গায় পাকা বাড়ি নির্মাণের কোন সুযোগ নেই। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আলিফ হোসেন